সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
চার দিন পার হলেও ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ‘এক্সিলেন্সে’ অগ্নিকাণ্ডের কারণ বের করতে পারেনি দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ দল। ফলে কবে নাগাদ টার্মিনালটি মেরামত করে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালু হবে, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
তবে পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টার্মিনালটি মেরামত ও চালু করতে দেশি-বিদেশি কারিগরি দল কাজ করছে। যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ হবে বলে আশা করছেন তারা।
দেশে আমদানি করা এলএনজি কার্গো কক্সবাজারের মহেশখালীতে স্থাপন করা দুই ভাসমান টার্মিনাল দিয়েই খালাস করা হয়। এর একটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ‘এক্সিলেন্স’ অন্যটি দেশীয় সামিট প্রাইভেটের মালিকানাধীন ‘সামিট’। এ দুই টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন ক্যাপাসিটি এখন দৈনিক ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুটের কাছাকাছি।
গত ৪ দিন ধরে এক্সিলেন্সের টার্মিনালটি কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ কমেছে। এতে মোট সরবরাহ ২ হাজার ৬২০ এমএমসিএফডি থেকে কমে প্রায় ২ হাজার ১৭০ এমএমসিএফডিতে নেমেছে।